বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

করোনা আক্রান্ত হয়ে টিকা নিলে যে বিপত্তি

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:৫০ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
করোনা আক্রান্ত হয়ে টিকা নিলে যে বিপত্তি

স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার অর্থাৎ নেগেটিভ ফল পাওয়ার চার সপ্তাহ পর টিকার প্রথম কিংবা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে। আর বুস্টার ডোজের ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হবে ছয় সপ্তাহ। তবে আক্রান্ত হওয়ার পর টিকা নিলে কিছু বিপত্তির আশঙ্কা থেকে যায় বলে জানিয়েছে অধিদফতর।

রবিবার (৩০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র এবং সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানান, যারা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর বুস্টার ডোজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের কাছে এসএমএস এসেছে, তারা যদি করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে নিতে না পারেন, তাহলে করোনা শনাক্ত হওয়ার ছয় সপ্তাহ পরে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।

করোনা আক্রান্ত অবস্থায় টিকা নিলে কি হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হলে এক ধরনের ভাইরাস সক্রিয় থাকে শরীরে, সে তার মতো করে সক্রিয় থাকে। পৃথিবীতে একেক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেক রকম। সেই সময় যদি টিকার মাধ্যমে একটি প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করে, যার কাজ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, সেক্ষেত্রে সেই প্রোটিন রেসপন্স নাও করতে পারে। সেজন্য আমরা বলি, যখন একটি ইনফেকশন হয়, শরীরে সক্রিয় ভাইরাস থাকে, আমি নিশ্চিত যে সেটি সক্রিয় আছে, ঠিক ততদিনের জন্য টিকা না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ১৪ দিন সময় লাগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে। তার সঙ্গে আরও দুই সপ্তাহ যোগ হলে চার সপ্তাহে শরীর আগের অবস্থায় ফিরে যেতে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ভাইরাস সক্রিয় থাকার সময় আবার শরীরে কিছু অ্যান্টিবডিও তৈরি হয়। আর যদি আক্রান্ত হওয়া অবস্থায় কেউ নিয়েও ফেলে সেক্ষেত্রে অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন, অতিরিক্ত জ্বর, অতিরিক্ত গায়ে ব্যথা। এক্ষেত্রে আমি মনে করি সতর্ক থাকাই উচিত।

1

ধামরাই ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি প্রকাশিত “ভুয়া সাংবাদিক” আখ্যা সংবলিত সংবাদটির বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ, ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৯ পিএম
ধামরাই ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি প্রকাশিত “ভুয়া সাংবাদিক” আখ্যা সংবলিত সংবাদটির বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ, ঘৃণা ও নিন্দা জানাচ্ছি

কবির হোসেনঃ

ধামরাই ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি প্রকাশিত “ভুয়া সাংবাদিক” আখ্যা সংবলিত সংবাদের বিরুদ্ধে আমরা গভীর উদ্বেগ, তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানাচ্ছি।উক্ত সংবাদে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ না করেই একতরফাভাবে “ভুয়া” তকমা দেওয়া হয়েছে, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এ ধরনের প্রকাশনা কেবল বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে না, বরং সংশ্লিষ্টদের সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনসাধারণের আস্থাকেও ক্ষুণ্ন করে।

আমরা বিশ্বাস করি, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজের প্রভাব বা স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অন্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে পারে না এবং কাউকে যাচাই ছাড়া “ভুয়া সাংবাদিক” আখ্যা দেওয়ার অধিকার কারও নেই। এতে শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

ধামরাই এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে রফিক মিন্টু নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে নানা আলোচনা ও অভিযোগের কথা শোনা যাচ্ছে—যার মধ্যে রয়েছে প্রভাব বিস্তার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং বিভিন্নভাবে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা। তবে এসব অভিযোগ যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণ সাপেক্ষে যাচাই হওয়া জরুরি। কোনো অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ বা প্রচার করা যেমন অনুচিত, তেমনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হেয় করাও নিন্দনীয়।
আমরা সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানাই । সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই ও সকল পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করতে, গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ করতে, এবং ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্মানহানিকর অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে। একইসঙ্গে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে কারও সম্মানহানি করা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1

পাথালিয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪২ পিএম
পাথালিয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ লোকমান হোসেন, স্টাফ রির্পোটারঃ

ঢাকার সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি ধামরাই সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস, সাবেক সভাপতি, আশুলিয়া থানা যুবদল এবং ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গেরুয়া মাদরাসা মসজিদ কমপ্লেক্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব মোঃ বিল্লাল সরদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান আশুলিয়া থানা যুবদল নেতা আনিসুর রহমান আনিসসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান যুগে শিক্ষাই হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। তোমাদেরকে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সৎ, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি সকল পরীক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ বিল্লাল সরদার বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মধ্য দিয়েই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তাই সবাইকে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শুভেচ্ছান্তে বক্তব্য দেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দ এবং আয়োজনে ছিল পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবদল।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

1

নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ গ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে জনজীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার রমজান নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার মূল হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন বলে জানা গেছে। অতীতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখনো প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় একইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার পরিচালনার জন্য কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র নেই। তবুও রাত-দিন চলে বালু উত্তোলনের কাজ। ফলে নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জমি ভাঙনের কবলে পড়ায় ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একাধিক কৃষক জানান, “আমাদের আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদীর পার ঘেষে বালু উত্তলোন করার কারণে নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। কেও প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়।”

স্থানীয়দের জানান, প্রভাবশালী মহলের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।