মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

অনলাইন পাঠদান নিয়ে অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১:৩৪ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অনলাইন পাঠদান নিয়ে অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিদ্যালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনাগুলো নিচে দেওয়া হলো-
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরাসরি অংশগ্রহণে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে জানিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, নেপ ও এনসিটিবি কর্তৃক ২০২২ সালের জন্য প্রণীত বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা (জানুয়ারি-এপ্রিল) ইতোমধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুসরণ করা হচ্ছে।
কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অনুমোদিত বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনলাইনে গুগল মিটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও কমিউনিটি রেডিও থেকে পরিচালিত ‘ঘরে বসে শিখি’ পাঠ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
অনলাইন ক্লাসের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বাংলাদেশ বেতার ও কমিউনিটি রেডিও’র মাধ্যমে চলমান ‘ঘরে বসে শিখি’ পাঠ সম্প্রচারের সময়টুকু বাদ দিয়ে অনলাইন পাঠদানের সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধকালীন প্রতিষ্ঠানের সব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এসএমসির সদস্যদের সহযোগিতা নেবেন। বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিষ্কার পরিছন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সব শিক্ষার্থীকে শ্রেণিশিক্ষক ও বিষয়শিক্ষক প্রতি ভাগ করে দেবেন বা নেবেন। শিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ও ব্যক্তিগতভাবে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে শিক্ষার্থীদের পাঠ অগ্রগতির খোঁজ-খবর নেবেন।
কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত সব স্বাস্থ্যবিধি ও অন্য বিধিনিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

1

পাথালিয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪২ পিএম
পাথালিয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ লোকমান হোসেন, স্টাফ রির্পোটারঃ

ঢাকার সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি ধামরাই সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস, সাবেক সভাপতি, আশুলিয়া থানা যুবদল এবং ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গেরুয়া মাদরাসা মসজিদ কমপ্লেক্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব মোঃ বিল্লাল সরদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান আশুলিয়া থানা যুবদল নেতা আনিসুর রহমান আনিসসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান যুগে শিক্ষাই হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। তোমাদেরকে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সৎ, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি সকল পরীক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ বিল্লাল সরদার বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মধ্য দিয়েই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তাই সবাইকে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শুভেচ্ছান্তে বক্তব্য দেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দ এবং আয়োজনে ছিল পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবদল।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

1

নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ গ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে জনজীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার রমজান নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার মূল হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন বলে জানা গেছে। অতীতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখনো প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় একইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার পরিচালনার জন্য কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র নেই। তবুও রাত-দিন চলে বালু উত্তোলনের কাজ। ফলে নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জমি ভাঙনের কবলে পড়ায় ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একাধিক কৃষক জানান, “আমাদের আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদীর পার ঘেষে বালু উত্তলোন করার কারণে নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। কেও প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়।”

স্থানীয়দের জানান, প্রভাবশালী মহলের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

1

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪১ এম
কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকায় এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবার দাবি করছে এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা; অন্যদিকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ৯৯৯ কল দেয় মনিরুজ্জামান। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার পাঁচতলা থেকে বৃষ্টি আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। বৃষ্টি সদর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে। তিনি মানিকগঞ্জ শহরের তৃপ্তি প্লাজায় একটি দোকানে মাসিক বেতনে চাকরি করতেন।

এ ঘটনায় বৃষ্টির পরিবার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। নিহতের মা শিল্পী বেগম দাবি করেন, “আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।”

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদের অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এমনকি আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপমৃত্যুর কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। পরে বাধ্য হয়ে গত ১৫ এপ্রিল মানিকগঞ্জ সি আর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন নিহতের মা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাসার মালিক মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি আক্তারকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তাকে একা পেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

নিহতের ভাই আকাশ বলেন, আপনারা গরীব মানুষ, আপনারা মামলা করবেন কেন? আপনারা মামলা করলে আপনার মা-ও হতে পারে এই মামলার আসামি।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি ৯৯৯ কল দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তারা যদি আমার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করে তাহলে আমার কি করার আছে? যা হবার তা মামলাই হবে। তারা মামলা করলে তো আমি আর ফেরাতে পারব না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার এসআই আব্দুল্লাহ হোসাইন বলেন, “ওই মহিলারা অশিক্ষিত। তারা যা বলছে, তা সঠিক নয়।” সেখানে আরো একাধিক সাংবাদিকও উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।