রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

শিবালয়ে ৩১ দফা প্রচারণা পথসভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৯ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শিবালয়ে ৩১ দফা প্রচারণা পথসভা অনুষ্ঠিত

নান্নু মিয়া,স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে তেওতা বাবুর বাড়ির মাঠে এক প্রচার ও প্রচারণা পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে আয়োজিত এ পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মানিকগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এস এ জিন্নাহ কবির।

সভায় সভাপতিত্ব করেন তেওতা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির হোসেন।
সঞ্চালনা করেন তেওতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব হোসেন হারুন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাজেদ মিয়া।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন—মানিকগঞ্জ বিএনপির সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক লোকমান হোসেন,মানিকগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ,মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস রহমান, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জামান মানিক,দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস,ঘিওর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানে আলম,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্য হাবিবুল্লাহ নোমানী,মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি,মানিকগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল,শিবালয় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হোসেন আলী,মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজা মিয়া,দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুস সালাম,শিবালয় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম,সদস্য সচিব সাইদুর রহমান, ঘিওর উপজেলা বিএনপির স্থানীয় বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাজা মিয়া,মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন,জেলা যুবদল নেতা আমির হামজা পিন্টু,মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ,জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব খান অয়ন,জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন ইসলাম,সহ জেলার, উপজেলার ও ইউনিয়নের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ৩১ দফা বাস্তবায়নই আজ সময়ের দাবি। তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে এই প্রচারণা আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।

পথসভায় তেওতা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

1

নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ গ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে জনজীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার রমজান নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার মূল হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন বলে জানা গেছে। অতীতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখনো প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় একইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার পরিচালনার জন্য কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র নেই। তবুও রাত-দিন চলে বালু উত্তোলনের কাজ। ফলে নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জমি ভাঙনের কবলে পড়ায় ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একাধিক কৃষক জানান, “আমাদের আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদীর পার ঘেষে বালু উত্তলোন করার কারণে নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। কেও প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়।”

স্থানীয়দের জানান, প্রভাবশালী মহলের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

1

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪১ এম
কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকায় এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবার দাবি করছে এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা; অন্যদিকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ৯৯৯ কল দেয় মনিরুজ্জামান। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার পাঁচতলা থেকে বৃষ্টি আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। বৃষ্টি সদর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে। তিনি মানিকগঞ্জ শহরের তৃপ্তি প্লাজায় একটি দোকানে মাসিক বেতনে চাকরি করতেন।

এ ঘটনায় বৃষ্টির পরিবার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। নিহতের মা শিল্পী বেগম দাবি করেন, “আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।”

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদের অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এমনকি আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপমৃত্যুর কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। পরে বাধ্য হয়ে গত ১৫ এপ্রিল মানিকগঞ্জ সি আর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন নিহতের মা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাসার মালিক মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি আক্তারকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তাকে একা পেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

নিহতের ভাই আকাশ বলেন, আপনারা গরীব মানুষ, আপনারা মামলা করবেন কেন? আপনারা মামলা করলে আপনার মা-ও হতে পারে এই মামলার আসামি।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি ৯৯৯ কল দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তারা যদি আমার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করে তাহলে আমার কি করার আছে? যা হবার তা মামলাই হবে। তারা মামলা করলে তো আমি আর ফেরাতে পারব না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার এসআই আব্দুল্লাহ হোসাইন বলেন, “ওই মহিলারা অশিক্ষিত। তারা যা বলছে, তা সঠিক নয়।” সেখানে আরো একাধিক সাংবাদিকও উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1

নায়েব ছাড়াই চলছে ভূমি অফিস: শিমুলিয়ায় দালালদের দখলে সরকারি সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
নায়েব ছাড়াই চলছে ভূমি অফিস: শিমুলিয়ায় দালালদের দখলে সরকারি সেবা

কবির হোসেন জোম্মাদারঃ

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনিয়ম-দুর্নীতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার যেখানে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে, সেখানে এই নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত অফিস সময় শেষ হওয়ার পরও অফিসটি খোলা রয়েছে এবং সেখানে সরকারি কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকলেও বহিরাগত একটি দালাল চক্র প্রকাশ্যেই অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তায়।
অভিযোগ রয়েছে, বিকেল ৪টার পর উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিন অফিস ত্যাগ করলেও তার অনুপস্থিতিতে দালালদের মাধ্যমে অফিস চালু রাখা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও সরকারি শৃঙ্খলার পরিপন্থী। প্রশ্ন উঠেছে—একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসে না থাকলে কিভাবে বহিরাগতরা সরকারি অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করে?
এ বিষয়ে উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, “সরকারি কাজ চলমান থাকায় অফিস খোলা রয়েছে।” তবে তার এই বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতির সাথে সাংঘর্ষিক এবং দায় এড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী দালাল চক্র এই অফিসকে ঘিরে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সেবা প্রদান করছে, যা সরাসরি দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই অনিয়ম আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।