বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২

ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ গাজীপুর জেলা শাখায় ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

মোঃ সাঈম সারোয়ার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই, ২০২৩, ৩:২১ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ গাজীপুর জেলা শাখায় ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ গাজীপুর জেলার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তী উপলক্ষে ভিবিডি গাজীপুর জেলা শাখার আয়োজনে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২০ ই জুলাই ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) গাজীপুর জেলা শাখার শহীদ বরকত স্টেডিয়াম (গাজীপুর জেলা স্টেডিয়াম) জয়দেবপুরে আয়োজন করা হয়।

উক্ত ফুটবল ম্যাচে জয়দেবপুর টিম (টঙ্গী + সদর) বনাম কালিয়াকৈর উপজেলা টিম অংশগ্রহন করে যা সত্যিই অসাধারণ। খেলা শেষে বিজয়ী দলকে ট্রফি ও সেরা খেলোয়ারের জন্য আলাদা পুরস্কার এবং সকল খেলোয়ারকে মেডেল প্রদান করার মাধ্যমে সকলের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।

ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) তরুণ ও যুব সমাজের স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে সকলকে সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা প্রেরণ করে এবং প্রত্যেকের মূল্যবোধ পরিবর্তনের স্বার্থে কাজ করে । সারাদেশে ৬৪টি জেলায় ৫০ হাজারের ও বেশি স্বেচ্ছাসেবক কর্মী নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, যে কোনো দুর্যোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে থাকে ।

1

বদলির আদেশ অকার্যকর! বিএডিসিতে হারুন অর রশিদের রাজনৈতিক দাপট অটুট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৯ এম
বদলির আদেশ অকার্যকর! বিএডিসিতে হারুন অর রশিদের রাজনৈতিক দাপট অটুট

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর একটি সাম্প্রতিক বদলি আদেশ এখন কেবল প্রশাসনিক নথির বিষয় নয়; বরং এটি কর্পোরেশনের ভেতরে-বাইরে রাজনৈতিক প্রভাব, শ্রমিক রাজনীতি ও ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজশাহী থেকে বগুড়ায় বদলি হওয়া সত্ত্বেও মো. হারুন অর রশিদ যেভাবে বহাল তবিয়তেই রয়ে গেছেন, তাতে সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট—এটি শুধু বদলির গল্প নয়, এটি রাজনৈতিক দাপট ও দীর্ঘদিনের প্রভাব বলয়ের প্রতিফলন। তিনি বিএডিসি শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও দীর্ঘদিন দিন উপ- পরিচালকের দ্বায়িত্ব পালন কালে নানা অনিয়ম দূর্নীতি সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও দূর্নীতির সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

বিএডিসির সংস্থাপন বিভাগ থেকে জারিকৃত অফিস আদেশে সীড টেস্টার পদে কর্মরত মো. হারুন অর রশিদকে উপপরিচালক (পাটবীজ) দপ্তর, বিএডিসি রাজশাহী থেকে একই পদে উপপরিচালক (পাটবীজ) দপ্তর, বিএডিসি বগুড়ায় বদলি করা হয় এবং আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর বলেও উল্লেখ থাকে। প্রশাসনিক দৃষ্টিতে এটি একটি নিয়মিত বদলি হলেও আদেশ জারির পরপরই কর্পোরেশনের অন্দরমহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—যদি বদলি কার্যকরই হয়, তাহলে কেন তাঁর সাংগঠনিক অবস্থান অটুট রইলো, কেন তিনি এখনও বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগ (সিবিএ)-এর রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্বে বহাল।

বিএডিসির অভ্যন্তরীণ একাধিক অফিস সূত্র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে জানায়, এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে মো. হারুন অর রশিদের রাজনৈতিক পরিচয়, মাঠপর্যায়ের দাপট ও দীর্ঘদিনের প্রভাব বলয়ের মধ্যে। সূত্রগুলোর মতে, তিনি কেবল একজন কর্মচারী নন; তিনি রাজশাহী অঞ্চলের শ্রমিক রাজনীতির এমন এক অবস্থানে রয়েছেন, যেখানে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক বাস্তবতার সীমা অতিক্রম করতে পারে না। এক অফিস সূত্রের ভাষায়, “বদলি কাগজে হয়, কিন্তু ক্ষমতা মাঠে—হারুন অর রশিদের ক্ষেত্রে সেটাই দেখা যাচ্ছে।”

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে উঠে আসে আরও স্পষ্ট চিত্র। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মো. হারুন অর রশিদ জাতীয় শ্রমিক লীগের ঘনিষ্ঠ দোসর হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাধিক অফিস সূত্র জানায়, জাতীয় শ্রমিক লীগের মিছিল, সভা ও সমাবেশে তাঁকে নিয়মিত সামনের কাতারে থাকতে দেখা যেত। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এই দৃশ্যমান উপস্থিতি তাঁকে শাসকদলের শ্রমিক রাজনীতির একজন প্রভাবশালী মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, যার রেশ এখনও কাটেনি বলেই মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

একজন শ্রমিক সংগঠক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জাতীয় শ্রমিক লীগের যেকোনো বড় কর্মসূচিতে হারুন অর রশিদ মানেই সামনের সারি—এই বিষয়টি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।” আরেকটি সূত্র আরও সরাসরি মন্তব্য করে জানায়, “এই রাজনৈতিক পরিচয়ই আজও তাঁকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে; বদলি হলেও তাঁকে সাংগঠনিকভাবে স্পর্শ করা হয়নি।”

সূত্রগুলো আরও জানায়, রাজশাহী জেলা শাখায় তাঁর বিকল্প নেতৃত্ব এখনো দৃশ্যমানভাবে গড়ে না ওঠায় তাঁকে সরানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়েও অনীহা ছিল। কেন্দ্রীয় শ্রমিক নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ, মাঠপর্যায়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং অতীতের রাজনৈতিক সক্রিয়তা—সব মিলিয়ে তাঁকে বাদ দিয়ে সংগঠন চালানোর ঝুঁকি নিতে চায়নি সংশ্লিষ্ট মহল।

রাজশাহী অঞ্চলের শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যেও তাঁর অবস্থান এখনো শক্ত। কেউ কেউ তাঁকে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে দেখেন, আবার কেউ কেউ নীরবে স্বীকার করেন—তাঁর প্রভাব উপেক্ষা করা বাস্তবে কঠিন। এক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “তিনি যেটা বলেন, সেটার পেছনে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ওজন থাকে—এটাই বাস্তবতা।”

বিএডিসির প্রশাসনিক অন্দরমহলেও এই প্রভাব অস্বীকার করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা। তাঁদের মতে, কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে বদলি একটি কাগুজে সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ থাকে; বাস্তব ব্যবস্থাপনায় তাঁদের অবস্থান হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। মো. হারুন অর রশিদের ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটেছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে চিত্রটি স্পষ্ট—প্রশাসনিকভাবে বদলি হলেও রাজনৈতিক বাস্তবতা, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সক্রিয় ভূমিকা, জাতীয় শ্রমিক লীগের মিছিল-মিটিংয়ে সামনের কাতারে উপস্থিতি এবং শ্রমিক রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের দাপটের কারণেই মো. হারুন অর রশিদ আজও বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। বদলেছে তাঁর কর্মস্থলের ঠিকানা, কিন্তু বদলায়নি তাঁর ক্ষমতার অবস্থান কিংবা প্রভাব বলয়। ১৬ বছর যাবৎ তিনি রাজশাহীতে কর্মরত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (পাটবীজ) রাজশাহী জেলার উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ বলেন, আমি বিএডিসি শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলাম। তবে কোনো অন্যায় কাজে ছিলাম না।
কথা বলতে বিএডিসি রাজশাহীর উপ-পরিচালককে (পাটবীজ) একাধিকবার ফোন দিলেও এইচ এস জাহিদুল ফেরদৌস ফোন রিসিভ করেননি। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

1

ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির ঘাঁটি শক্ত করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের টানা প্রচারণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৬ এম
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির ঘাঁটি শক্ত করতে স্বেচ্ছাসেবক দলের টানা প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. সালাউদ্দিন বাবুকে ধানের শীর্ষ প্রতীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মোহন, আহবায়ক সদস্য সোহেল মোল্লা, আহবায়ক সদস্য আনোয়ার হোসেন, আহবায়ক সদস্য মোঃ শাহিন এবং আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা খুবায়েরের নেতৃত্বে দিনব্যাপী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নেতাকর্মীরা।

প্রচারণাকালে নেতাকর্মীরা সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা বলেন, ডা. সালাউদ্দিন বাবু একজন পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব রাজনীতিবিদ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীর্ষে বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।

এ সময় নেতারা আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ডা. সালাউদ্দিন বাবুর বিজয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রচারণায় অংশ নেওয়া স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে ঢাকা-১৯ আসনে ধানের শীর্ষে বিজয় নিশ্চিত হবে।

1

জামায়াত পাকিস্তানিদের পক্ষে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৭ পিএম
জামায়াত পাকিস্তানিদের পক্ষে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়

অনলাইন ডেস্কঃ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দাঁড়িপাল্লা মার্কা নিয়ে যে দলটি আজ ভোট চাইতে আসছে, তারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে এক নির্বাচনি পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের ১৯৭১ সালের কথা মনে আছে, যুদ্ধের কথা মনে আছে। আমরা নিজেরাই পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিয়ে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি। কেউ বাইরে থেকে এসে আমাদের হয়ে যুদ্ধ করে দেয়নি। আমরা বাংলাদেশ ছেড়ে কোথাও যাইনি।

কিন্তু যারা তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে। আপনারাই বিচার করুন, তারা স্বাধীনতার পক্ষে ছিল নাকি বিপক্ষে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনায় নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে, যা হবে মা–বোনদের একটি কার্যকর অস্ত্র। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে নারীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

এ ছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা নানা সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাই। আপনারা যখন আমাকে সমর্থন করেন, তখন আমি সংসদে গিয়ে জনগণের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করি।’

পথসভায় উপস্থিত কয়েকজন ভোটার মঞ্চে উঠে বিগত সময়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে মির্জা ফখরুলের সময়ে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তারা কৃষি কাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধিতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পসহ একাধিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে নতুন উন্নয়ন প্রত্যাশার কথা জানান।

নির্বাচিত হলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার আশ্বাস দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।