গ্লোরি আইটি বিডির জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার নিয়োগ দেওয়া হবে।
কাজের দায়িত্ব: Adobe Photoshop, Illustrator উপর ভিত্তি করে গ্রাফিক ডিজাইনিংয়ে ন্যূনতম ০১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।
ফটোশপ বিশেষজ্ঞরা ভালোবাসেন; ফটো রিটাচিং, ফটোশপ মাস্কিং, হাই-এন্ড মডেল রিটাচিং। লোগো ডিজাইন, ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইন এবং আরও অনেক কিছু; তারা এই পদের জন্য বিশেষ বিবেচনা পাবেন।
যারা ফটো রিটাচিং কাজের জন্য আউটসোর্সিং এর সাথে পরিচিত নন; তাদের এই পদে আবেদন না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের নাম : গ্লোরি আইটি বিডি
পদের নাম : গ্রাফিক্স ডিজাইনার
পদের সংখ্যা : ৩ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম এস এসসি/এইচএসসি বা ডিপ্লোমা ইন প্রিন্টিং টেকনোলজি/ডিপ্লোমা ইন গ্রাফিক্স ডিজাইন।
অভিজ্ঞতা : কমপক্ষে ০১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়সসীমা : নির্ধারিত নয়
প্রার্থীর ধরন : পুরুষ/নারী ।
চাকরির ধরন : পার্ট টাইম
কাজের স্থান : রিমোট জব
বেতন: প্রজেক্ট বেস
আগ্রহী প্রার্থীদের নিম্ন ঠিকানায় জীবন বৃত্তান্ত পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
ই-মেইল :- sujancb115@gmail.com
মোবাইল :- 09638307008
ঢাকার সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এস.এস.সি পরীক্ষার্থী-২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি ধামরাই সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস, সাবেক সভাপতি, আশুলিয়া থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং ঢাকা জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব এবং বর্তমান আশুলিয়া থানা যুবদল নেতা আনিসুর রহমান আনিসসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি মোঃ রকিব দেওয়ান রকি। তিনি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান যুগে শিক্ষাই হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। তোমাদেরকে ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সৎ, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি সকল পরীক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ বিল্লাল সরদার বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের মধ্য দিয়েই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তাই সবাইকে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শুভেচ্ছান্তে বক্তব্য দেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন গেরুয়া মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দ এবং আয়োজনে ছিল পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবদল।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ গ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে জনজীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্ভোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার রমজান নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার মূল হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন বলে জানা গেছে। অতীতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখনো প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় একইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার পরিচালনার জন্য কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র নেই। তবুও রাত-দিন চলে বালু উত্তোলনের কাজ। ফলে নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জমি ভাঙনের কবলে পড়ায় ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একাধিক কৃষক জানান, “আমাদের আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদীর পার ঘেষে বালু উত্তলোন করার কারণে নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। কেও প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়।”
স্থানীয়দের জানান, প্রভাবশালী মহলের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।
এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”
এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকায় এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবার দাবি করছে এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা; অন্যদিকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ৯৯৯ কল দেয় মনিরুজ্জামান। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার পাঁচতলা থেকে বৃষ্টি আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। বৃষ্টি সদর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে। তিনি মানিকগঞ্জ শহরের তৃপ্তি প্লাজায় একটি দোকানে মাসিক বেতনে চাকরি করতেন।
এ ঘটনায় বৃষ্টির পরিবার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। নিহতের মা শিল্পী বেগম দাবি করেন, “আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।”
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদের অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এমনকি আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপমৃত্যুর কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। পরে বাধ্য হয়ে গত ১৫ এপ্রিল মানিকগঞ্জ সি আর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন নিহতের মা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাসার মালিক মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি আক্তারকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তাকে একা পেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
নিহতের ভাই আকাশ বলেন, আপনারা গরীব মানুষ, আপনারা মামলা করবেন কেন? আপনারা মামলা করলে আপনার মা-ও হতে পারে এই মামলার আসামি।
এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি ৯৯৯ কল দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তারা যদি আমার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করে তাহলে আমার কি করার আছে? যা হবার তা মামলাই হবে। তারা মামলা করলে তো আমি আর ফেরাতে পারব না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার এসআই আব্দুল্লাহ হোসাইন বলেন, “ওই মহিলারা অশিক্ষিত। তারা যা বলছে, তা সঠিক নয়।” সেখানে আরো একাধিক সাংবাদিকও উপস্থিত ছিল।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।