1
বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়নে দেড় বছর যাবত টিসিবি কার্যক্রম বন্ধ । হতাশ হতদরিদ্র মানুষ।

মোঃ কবির হোসেন জমাদ্দারঃ
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের বেশিরভাগ মানুষই কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল ও হত দরিদ্র ।
বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়নে দেড় বছর যাবত টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা খুবই কষ্টে আছে যা স্থানীয় জনগণের জীবনকে প্রভাবিত করছে।
বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায় যে, এই সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে এখনো কোন সমাধান হয়নি।
বাইশাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য ফারজানা আক্তার জানান যে, ১টি পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে ধামরাই উপজেলা গঠিত। ধামরাই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত হলো বাইশাকান্দা ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষই হতদরিদ্র। সাত হাজার পরিবারের মধ্যে বিগত সময়ে ৫০০ পরিবারের মধ্যে টিসিবি পণ্য বিক্রয় করা হতো যা প্রয়োজনের তুলনা একদম অপ্রতুল্য। দেড় বছর পূর্বে আমাদের ইউনিয়নে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের জন্য আবেদন করা হয় কিন্তু দেড় বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আমাদের বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়নে টিসিবি ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও টিসিবি পন্য বিক্রয় করা হয়নি এতে সাধারণ মানুষের মাঝে হতাশা তৈরি হয়েছে।এর পূর্বে আমি উপজেলা প্রশাসনের নিকট দরখাস্ত করি যার ফলে অস্থায়ীভাবে ট্রাকে টিসিবি পণ্য দুইবার বিক্রয় হয় এরপর আবার টিসিবি পণ্য বিক্রয় বন্ধ হয়ে যায় এতপর বারবার উপজেলায় যোগাযোগ করলে তারা জানান, টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহ করা হলে টিসিবি বিক্রয় কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।
বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়নের স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, ধামরাই উপজেলার মধ্যে বাইশাকান্দা ও রোয়াইল ইউনিয়নের বেশিরভাগ নিন্ম আয়ের লোক বসবাস করে। করুণা মহামারীর পর থেকে টিসিবি বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়। আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো কম মূল্যে কিনতে পারতাম কিন্তু দুঃখের দেড় বছর হতে আমাদের ইউনিয়নে টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ আছে ইহাতে আমরা নিন্ম আয়ের লোকজন খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় আমাদের মত হতদরিদ্র মানুষদেরকে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। টিসিবি কর্তৃপক্ষ অতি দ্রুত
আমাদের ইউনিয়নে টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম পুনরায় চালু করলে আমাদের মত গরিব মানুষের মুখে হতাশার ছাপের বদলে আবার হাসি ফুটে উঠবে।
ফারজানা আক্তার আরো জানান যে, আমাদের ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ হতদরিদ্র বিধায় টিসিবি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গরীব মানুষের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। লোক সংখ্যা অনুযায়ী পূর্বের চেয়ে বেশি সংখ্যক হতদরিদ্র মানুষের মাঝে অতি দ্রুত টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হলে অন্তত তারা দুবেলা দুমুঠো খেতে পারবে। আমি আশা করি স্থানীয় প্রশাসন অতিদ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে টিসিবি ফ্যামিলি স্মার্ট কার্ড বিতরন করে হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাবে।







