রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কে কত ভোট পেলেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:১০ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কে কত ভোট পেলেন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জায়েদ খান।

শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার পর গণনা শেষে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে শুক্রবার সকাল ৯টা ১২মিনিটে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৬টা ১০মিনিট পর্যন্ত।

দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৪৪ জন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

এবার সমিতির ভোটার ছিল ৪২৮ জন। কিন্তু ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন।

কার্যকরী পরিষদের সদস্যপদে বাতিল হয়েছে ১০টি ভোট৷ আর সম্পাদকীয়তে বাতিল হয়েছে ২৬টি ভোট৷ এ হিসেবে মোট ভোট পড়েছে ৮৫ দশমিক ২৮ শতাংশ।

এবারের নির্বাচনে ২০২২-২৪ মেয়াদের জন্য সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন  ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ খ্যাত  অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

তিনি পেয়েছেন ১৯১ ভোট৷ তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর পেলেন ১৪৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন জায়েদ খান। তার চেয়ে ১৩ ভোট কম পেয়ে ১৬৩ ভোট পেলেন নিপুণ।

সহ-সভাপতি পদে ২১৯ ভোট পেয়ে মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও ১৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মাসুম পারভেজ রুবেল।

সহ সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস-নিপুণ প্যানেলের সাইমন সাদিক জয়ী হয়েছেন ২১২ ভোটে৷ তার সঙ্গে সিনিয়র অভিনেতা সুব্রত হেরেছেন ১২৭ ভোট পেয়ে।

১৮৪ ভোটে জয় পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শাহানুর। চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার হেরেছেন ১৫৫ ভোটে৷

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে হেরে গেছেন চিত্রনায়ক নিরব। জিতেছেন ২০৫ ভোট পাওয়া জয় চৌধুরী। নিরবের ভোটসংখ্যা ১৩৪।
দপ্তর সম্পাদক পদে আরমান পেয়েছেন ২৩২ ভোট৷ তার কাছে জ্যাকি আলমগীর হেরেছেন ১০৭ ভোট পেয়ে৷ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জিতেছেন মামনুন ইমন। তার ভোট ২০৩। জাকির হেরেছেন ১৩৬ ভোট নিয়ে৷

কার্যকরী সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন নায়ক ফেরদৌস।  তার ভোটসংখ্যা ২৪০।

মৌসুমী পেয়েছেন ২২৫ ভোট, অঞ্জনা সুলতানা ২২৫, রোজিনা ১৮৫, অরুণা বিশ্বাস ১৯২, আলীরাজ ২০৩, সুচরিতা ২০১, কেয়া ২১২, ফেরদৌস, অমিত হাসান ২২৭, জেসমিন ২০৮, চুন্নু ২২০ ভোট পেয়েছেন।

ফরহাদকে হারিয়ে কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন আজাদ খান।  আজাদ পেয়েছেন ১৯৩ ভোট, বিপরীতে ১৪৬ ভোট পেয়েছেন ফরহাদ।

1

নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
নাগরপুরে অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলনে হুমকিতে কৃষিজমি, নাগরপুরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কলমাইদ গ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে জনজীবনে নেমে আসতে পারে চরম দুর্ভোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার রমজান নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার মূল হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন বলে জানা গেছে। অতীতে আওয়ামীলিগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখনো প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় একইভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ড্রেজার পরিচালনার জন্য কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা বৈধ কাগজপত্র নেই। তবুও রাত-দিন চলে বালু উত্তোলনের কাজ। ফলে নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছরই নতুন নতুন জমি ভাঙনের কবলে পড়ায় ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

একাধিক কৃষক জানান, “আমাদের আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। ড্রেজার দিয়ে নদীর পার ঘেষে বালু উত্তলোন করার কারণে নদী ভাঙন তীব্র হচ্ছে। কেও প্রতিবাদ করলে উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়।”

স্থানীয়দের জানান, প্রভাবশালী মহলের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন পরিবেশ ও কৃষি উভয় ক্ষেত্রেই মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকার ভূ-প্রকৃতি ও মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপ ভৌমিক বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনোভাবেই অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না।”

এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

1

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪১ এম
কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হত্যার অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকায় এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে ঘিরে রহস্য ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরিবার দাবি করছে এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা; অন্যদিকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ৯৯৯ কল দেয় মনিরুজ্জামান। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মনিরুজ্জামানের ভাড়া বাসার পাঁচতলা থেকে বৃষ্টি আক্তার (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। বৃষ্টি সদর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে। তিনি মানিকগঞ্জ শহরের তৃপ্তি প্লাজায় একটি দোকানে মাসিক বেতনে চাকরি করতেন।

এ ঘটনায় বৃষ্টির পরিবার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে। নিহতের মা শিল্পী বেগম দাবি করেন, “আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।”

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাদের অভিযোগ নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এমনকি আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপমৃত্যুর কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। পরে বাধ্য হয়ে গত ১৫ এপ্রিল মানিকগঞ্জ সি আর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন নিহতের মা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাসার মালিক মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি আক্তারকে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন তাকে একা পেয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে সাজাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

নিহতের ভাই আকাশ বলেন, আপনারা গরীব মানুষ, আপনারা মামলা করবেন কেন? আপনারা মামলা করলে আপনার মা-ও হতে পারে এই মামলার আসামি।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি ৯৯৯ কল দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তারা যদি আমার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করে তাহলে আমার কি করার আছে? যা হবার তা মামলাই হবে। তারা মামলা করলে তো আমি আর ফেরাতে পারব না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার এসআই আব্দুল্লাহ হোসাইন বলেন, “ওই মহিলারা অশিক্ষিত। তারা যা বলছে, তা সঠিক নয়।” সেখানে আরো একাধিক সাংবাদিকও উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইকরাম হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1

নায়েব ছাড়াই চলছে ভূমি অফিস: শিমুলিয়ায় দালালদের দখলে সরকারি সেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
নায়েব ছাড়াই চলছে ভূমি অফিস: শিমুলিয়ায় দালালদের দখলে সরকারি সেবা

কবির হোসেন জোম্মাদারঃ

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে অনিয়ম-দুর্নীতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার যেখানে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে, সেখানে এই নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত অফিস সময় শেষ হওয়ার পরও অফিসটি খোলা রয়েছে এবং সেখানে সরকারি কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকলেও বহিরাগত একটি দালাল চক্র প্রকাশ্যেই অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তায়।
অভিযোগ রয়েছে, বিকেল ৪টার পর উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিন অফিস ত্যাগ করলেও তার অনুপস্থিতিতে দালালদের মাধ্যমে অফিস চালু রাখা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও সরকারি শৃঙ্খলার পরিপন্থী। প্রশ্ন উঠেছে—একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসে না থাকলে কিভাবে বহিরাগতরা সরকারি অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করে?
এ বিষয়ে উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নাছির উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, “সরকারি কাজ চলমান থাকায় অফিস খোলা রয়েছে।” তবে তার এই বক্তব্য বাস্তব পরিস্থিতির সাথে সাংঘর্ষিক এবং দায় এড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী দালাল চক্র এই অফিসকে ঘিরে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সেবা প্রদান করছে, যা সরাসরি দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই অনিয়ম আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।